বুধবার, ০৪ অগাস্ট ২০২১, ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নাজিরপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রতীক হাসানাত খানের নামে অপপ্রচারের অভিযোগ প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে লকডাউনে পিরোজপুর সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের মোটরসাইকেল মহড়া কঠোর লকডাউন উপেক্ষা করে ছাত্রলীগের ফুলেল শুভেচ্ছা নিলেন ইন্দুরকানীর ইউএনও কোভিড-১৯ টি মহামারিতেও থেমে নেই পিরোজপুরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি করোনা রোগীদের জন্য অক্সিজেন সেবা নিয়ে “ক্ষুধার্ত মানুষের পাশে আমরা” সংগঠন নাজিরপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার নামে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন উদ্দীপন এর উদ্যোগে বজ্রপাত ও কোভিড-১৯-এ করণীয় সম্পর্কে সচেতনতা মূলক লিফলেট বিতরণ ও প্রচারণা কার্যক্রম নৌকার বিপক্ষে স্থানীয় ছাত্রলীগের অবস্থান : আওয়ামীলীগের মনোনিত প্রার্থীর খোলা চিঠি পিরোজপুরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন পিরোজপুর সদর থানার নবাগত ওসি’র সাথে জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়

বিসমিল্লাহর পরিবর্তে ৭৮৬ লেখা কি জায়েজ?

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১৯
  • ৭৩৪ Time View

মুসলিমদের মধ্যে একটি মারাত্মক বিদ’আত ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম এর পরিবর্তে ৭৮৬ লিখতে আরম্ভ করেছেন। বাস, ট্রাক, রিক্সা, দোকান যত্রতত্র ৭৮৬ লিখা স্টিকার শোভা পাচ্ছে।

এমনকি মসজিদ, মাদরাসার দেওয়ালেও নক্সা করে ৭৮৬ লেখা হচ্ছে। আর পত্রের শুরুতে ৭৮৬ লেখা তো একটি অতি সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মহানবী (সা.) বলেন- “কেউ যদি দ্বীনের মধ্যে কোন নতুন প্রথার প্রচলন ঘটায় আর সেটা তার মধ্যে না থাকে তাহলে তা পরিত্যাজ্য হবে”। মুত্তাফাক্ব আলাইহি, মিশকাত, হাদিস নং ১৪০।

“আবজাদ” পদ্ধতির সূত্র মতে বিসমিল্লাহর পরিবর্তে ৭৮৬ লেখার যে প্রচলন হয় তা কোন শারঈ পদ্ধতি তো নয়ই এমনকি মুসলিমরা এই পদ্ধতির প্রবর্তকও নয়। পদ্ধতিটির আবিষ্কারক হল গ্রিসের প্রখ্যাত দার্শনিক পীথাগোরাস। সে ইহুদী ছিল এবং মুসলিমদের প্রকাশ্য শত্রু।

সূত্রটির ব্যবহার প্রধানত সম্রাটের এবং সরকারী কর্মচারীদের তোষামোদীর জন্য ব্যবহৃত হত। যেমনঃ তাদের সিংহাসন আরোহণের তারিখ অমুক পূণ্য বাক্যের কোডের সঙ্গে, জন্মগ্রহণের তারিখ অমুক পূণ্য বাক্যের কোডের সঙ্গে, মৃত্যু তারিখ অমুক কোডের সঙ্গে ইত্যাদি।

পীথাগোরাস প্রবর্তিত এই “আবজাদ” পদ্ধতিকে নাম সর্বস্ব মুসলিম বিদ’আতি আলেমরা গ্রহণ করে নিয়েছেন। এই সূত্র মতেই তাবিজ, তখতি ও দোকান ঘরের জন্য বিভিন্ন সংখ্যাতাত্তি¡ক বোর্ডেরও উদ্ভাবন করে তারা।

ইহুদী পীথাগোরাসের আবিষ্কৃত এই পদ্ধতিকে গ্রহণকারীরা সুস্পষ্টরূপে ইসলামের বিরুদ্ধাচরণ করে। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, “তোমরা মুশরিকদের বিরুদ্ধাচরণ কর”। (মুত্তাফাক্ব আলাইহি, মিশকাত, হাদিন নং ৪৪২১) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেন “কেউ যদি কোন জাতির সাদৃশ্য গ্রহণ করে তাহলে সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে”। (আবু দাউদ, সনদ হাসান, মিশকাত, হাদিস নং ৪৩৪৭)।

তাছাড়া দ্বীনের ব্যাপারে সকল প্রকার বিদ’আতই হারাম ও গোমরাহী। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন “তোমরা (দ্বীনের) নব প্রচলিত বিষয়সমূহ থেকে সতর্ক থাক। কেননা প্রত্যেক নতুন বিষয় বিদ’আত এবং প্রত্যেক বিদ’আত ভ্রষ্টতা। [সুনান আবু দাউদ, হাদীস নং ৩৯৯১ । সুনান আত তিরমিযী, হাদীস নং ২৬৭৬)

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com